Rural Association for Social Advancement (RASA) বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় কার্যক্রম পরিচালনাকারী একটি বেসরকারি, অলাভজনক, স্বেচ্ছাসেবী ও সমাজকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান। দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে, বিশেষ করে নারী, কিশোর-কিশোরী, শিশু ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নে কাজ করার উদ্দেশ্যে ২০১৪ সালে একদল সমাজকর্মীর সক্রিয় উদ্যোগে RASA প্রতিষ্ঠিত হয়।
RASA বিশ্বাস করে অংশগ্রহণমূলক, সমন্বিত, তৃণমূলভিত্তিক (Bottom-up) এবং নির্দেশনাবিহীন (Non-directive) উন্নয়ন কাঠামোতে। সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠী ও অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতিষ্ঠানটি উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি অনুঘটক (Catalyst) হিসেবে কাজ করে।
RASA সমাজসেবা অধিদপ্তরের নিবন্ধিত একটি প্রতিষ্ঠান। সংস্থাটির একটি শক্তিশালী ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা কমিটি রয়েছে। বর্তমানে RASA বাংলাদেশ সরকারসহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
সংস্থাটিতে প্রয়োজনীয় দক্ষ ও অভিজ্ঞ জনবল রয়েছে এবং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত সম্পদ ও অবকাঠামো বিদ্যমান। RASA-এর সুসজ্জিত অফিস প্রাঙ্গণের পাশাপাশি একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রও রয়েছে, যেখানে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
আইনগত বৈধতা
সমাজসেবা অধিদপ্তর-নিবন্ধন নং: লাল/সদর/৩৫১/১৮
এনজিও বিষয়ক ব্যুরো-নিবন্ধন নং: ৩৩৪২
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-নিবন্ধন নং: লাল/৮৮/সদর-০৩
জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-নিবন্ধন নং: এসটিপি-লাল-০০১০৩১
নীতি ও আদর্শ
আমরা এমন একটি সমতা ভিত্তিক সমাজ চাই, যেখানে বৈষম্যতা ও মানবীয় দারিদ্রতা থাকবে না, প্রত্যেক মানুষ পূর্ণ মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিয়ে বসবাস করবে।
ব্যাপক আয়বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম, প্রাথমিক শিক্ষা ও স্বাক্ষরতা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, মানবাধিকার ও সুশাসন এবং পরিবেশ উন্নয়ন কর্মসূচির মাধ্যমে রাসা’র কর্ম এলাকাতে আয় নিশ্চিতকরণ ও মানবীয় দারিদ্র্যতা হ্রাস। রাসা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে এবং কার্যকরভাবে মানবাধিকার পরিস্থিতির উত্তরণ, মানবীয় মর্যাদা ও নারী-পুরুষ সমতা নিশ্চিতকরণে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং মানবীয় সামর্থ্যায়নে কাজ করছে। সার্বিকভাবে নারী এবং বিশেষভাবে শিশুরা রাসা’র সামগ্রিক কার্যক্রমের মূল কেন্দ্রবিন্দু। সকল ধরনের সেবায় অতিদরিদ্র মানুষের সুযোগ ও অধিকার প্রতিষ্ঠাই রাসা’র মূল ভিশন।
লক্ষ্য-উদ্দেশ্য
কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে একত্ববাদ প্রতিষ্ঠা।
কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে একত্ববাদ প্রতিষ্ঠা।
আয়-ব্যয়ের নীতিমালা
কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে একত্ববাদ প্রতিষ্ঠা।
কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে একত্ববাদ প্রতিষ্ঠা।
সরাসরি ব্যবস্থাপনা
সরাসরি ব্যবস্থাপনা
কোনো প্রকল্প সফল ও যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য ব্যবস্থাপনা ব্যয় অত্যাবশ্যক। প্রকল্প পরিচালনার অংশ হিসেবে অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে একান্ত প্রয়োজনীয় পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা হয়। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত—